বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ ইস্যু সমাধান করতে আগামীকাল আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ সাক্ষাৎ করবেন ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে আসে।
টি-২০ বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বের চারটি বাংলাদেশের ম্যাচই ভারতে খেলার কথা থাকলেও নিরাপত্তা জনিত কারণে দেশটিতে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান বিসিবি। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচের আয়োজনের জন্য আইসিসির কাছে চিঠিও দেন বিসিবি।
বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হবে নাকি ভারতেই থাকবে, আইসিসির চেয়ারম্যানের বৈঠক শেষে হয়তো এসব বিষয় পরিষ্কার হবে। বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট বিধায় ম্যাচ সরানো বা না সরানোর ব্যাপারটা আইসিসির ওপরই বর্তায়। আজ বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়াও একই ধরনের কথা বলেছেন।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া বক্তব্যে বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া জানান, মুম্বাইয়ের বৈঠকটি মূলত সেন্টার অব এক্সিলেন্স (সিওই) ও অন্যান্য ক্রিকেটসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বা ভেন্যু প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া বিসিসিআইয়ের এখতিয়ারভুক্ত নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। সাইকিয়ার ভাষ্য, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেবল আইসিসিই।
এদিকে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা সামনে এনে বাংলাদেশের ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি তুলেছে বিসিবি। এর পেছনে রয়েছে বিসিসিআইয়ের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেয়। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর লাগাতার হুমকির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা যায়।
এই ঘটনার পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবি সভাপতি গণমাধ্যমকে জানান, আইসিসি ও ফিফার মতো সংস্থাগুলো বৈশ্বিক সংগঠন এবং বাংলাদেশ তাদের কাছে কেবল পরিস্থিতির বাস্তবতা তুলে ধরবে। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সময় ভারত পাকিস্তানে খেলতে যায়নি, আবার পাকিস্তানও সাম্প্রতিক কয়েকটি বিশ্বকাপে ভারতে যায়নি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বিসিবিও আশা করছে, আইসিসির কাছ থেকে একটি যৌক্তিক ও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।




