শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে ওষুধ কেনার জন্য বাড়ির পাশের দরগাও ভিটা বাজারে কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ গ্রামের হারিছ মিয়া (৪৩)। এর পর আর বাসায় ফেরেননি তিনি। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) ভোরে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের হারুয়া বাসস্ট্যান্ডের পুকুর থেকে হারিছের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ঈশ্বরগঞ্জের হারুয়া বাসস্ট্যান্ডের পুকুরে একটি নিথর দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে লাশ উদ্ধার করে ফিঙ্গারপ প্রিন্ট যাচাইয়ের মাধ্যমকে সেটিকে হারিছের লাশ বলে সনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহ।
নিহতের পরিবার জানায় শুক্রবার বিকেলে ঔষধ কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল হারিছ। গভীর রাতেও বাসায় না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। উল্লেখ মৃত হারিছ নোয়াবাদ গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে। নিহতের বাবা ও স্বজন মারফত জানা গেছে কিছুদিন যাবত মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন হারিছ।
এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা করে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আজম।




