নওগাঁ জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের দাপটে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাসের সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুণ। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, ফলে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের আয় রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বুধবার সকাল ৬টায় জেলায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা তখন ছিল মৌসুমের সর্বনিম্ন। তবে একদিন পরই সেই রেকর্ড ভেঙে দেয় নওগাঁ।
শীতের তীব্রতায় সাধারণ মানুষ খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করছেন। এদিকে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও প্রতিদিন বাড়ছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, টানা তিন সপ্তাহ ধরে বৈরী আবহাওয়া নওগাঁ অঞ্চলের জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বুধবার সকালে রেকর্ড হওয়া ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, জেলায় চলমান মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েকদিন আরও তীব্র হতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।




