বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের এক অধ্যায় শেষ হলো। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাফন কার্যক্রম বুধবার সম্পন্ন হয়েছে, রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে শেষ বিদায়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বুধবার দুপুরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল তিনটায় সংসদ ভবনের মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউজুড়ে জানাজা নামাজ আদায় করা হয়।
জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অংশ নেন। এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানাজা শেষে মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিজেপি সভাপতি আন্দালিভ রহমান পার্থ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ বহু রাজনৈতিক নেতা জানাজায় অংশ নেন।
আন্তর্জাতিক পরিসরেও ছিল ব্যাপক উপস্থিতি। পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেন।
শেষ পর্যন্ত রাজধানীতে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়, যেখানে লাখো মানুষের দোয়া ও শ্রদ্ধায় তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন।




