লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ বিএনপিকে ছেড়ে জামায়াত জোটে যোগ দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের মিত্র সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও এলডিপি এই পদক্ষেপ নিয়েছে আসন সমঝোতা নিয়ে ব্যর্থতার কারণে।
কর্নেল অলি জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যেই তাদের দল জামায়াত জোটে যুক্ত হচ্ছে। বিএনপিকে ১৪ জনের শর্টলিস্ট দেওয়ার পরও কোনো আলোচনা হয়নি। এলডিপি আশা করেছিল যে, তালিকার অন্তত ৮-১০ জন প্রার্থী বিবেচনায় নেবে বিএনপি।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির সাত সদস্যের কমিটির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। দুই ঘণ্টা বিএনপি কার্যালয়ে অপেক্ষা করার পরও আলোচনার সুযোগ পাননি এলডিপির নেতারা। কেবল কয়েকজনের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা হয়েছে।
শর্টলিস্টটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি, জানিয়েছেন অলি। তিনি বলেন, ‘বিএনপির শত শত আসনের বিপরীতে আমাদের মাত্র একটি কার্যকর আসন দেওয়া হয়েছে। এটি আমাদের দলের জন্য চরম অবমূল্যায়ন।’
কর্নেল অলি আরও উল্লেখ করেন, এলডিপির নেতারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অর্থ দিয়ে দল চালিয়ে আসছেন, অথচ তাদের অবদান অনুপযুক্তভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দল কখনো চাঁদাবাজি করেনি।’
এলডিপি জানায়, বিএনপির সংকটকালে তাদের নেতারা পাশে ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো যোগাযোগ নেই।
এর আগে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এ খবর নিশ্চিত করেছেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠকের পর সর্বসম্মতিক্রমে জামায়াত জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।




