জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে। জোটের পক্ষধারী দল হিসেবে বিএনপির সঙ্গে না, বরং জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করেছে এনসিপি। দুই দলের মধ্যে জোট চূড়ান্ত হওয়ার পথে আছে এবং আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা চলছে। এনসিপি ৫০টির বেশি আসন দাবি করলেও জামায়াত জোর দিচ্ছে এমন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেওয়া হবে যেখানে মিত্র দলের জয় নিশ্চিত।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, জোট নিয়ে বৈঠক চলছেই এবং দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আসন ভাগাভাগি, দলীয় বিষয় ও রাজনৈতিক বোঝাপড়া জোটের মূল ভিত্তি। জোটের আলোচনায় এনসিপি ২৭ থেকে ২৮টি আসন ছেড়ে দিতে পারে, যেখানে জামায়াত দুই শতাধিক আসনে সরাসরি প্রার্থী দেবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানের সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল কাদের উল্লেখ করেছেন, সব ঠিক থাকলে জোটের ঘোষণা আসতে পারে। তবে এনসিপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু ঘোষণা করা হয়নি।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বলছেন, প্রথমপর্বে ১২৫টি আসনে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার পরও প্রয়োজন হলে জোটে অংশ নেওয়া হবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে আসন বণ্টন ও রাজনৈতিক বোঝাপড়া চূড়ান্ত করা জরুরি বলে মনে করছে দল।
নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটের ঘোষণা বিলম্ব হলে এনসিপির জন্য নির্বাচনী প্রস্তুতির সময় কমে যাবে। রাজনীতিকরা মনে করছেন, ভোটের আগে নেতৃত্ব ও দলীয় ঐক্যের প্রতি আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া দলীয় কোন্দল ও পদত্যাগের ঘটনা এনসিপিকে আরও সতর্ক করেছে, তাই জোট ঘোষণা দ্রুত করতে চাইছে।




