ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কে এই মার্টিন লুথার কিং? যাঁর আদর্শ টানলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে প্রথম রাজনৈতিক বক্তব্যেই বিশ্বখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকে স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি মার্টিন লুথার কিংয়ের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, মার্টিন লুথার কিংয়ের যেমন একটি স্বপ্ন ছিল, তেমনি বাংলাদেশের মানুষের জন্য তাঁরও একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, “মার্টিন লুথার কিংয়ের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে— ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’। আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আমি বলতে চাই— ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি।”

তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের কল্যাণ, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রণীত। তবে এই ‘প্ল্যান’ বাস্তবায়নের জন্য দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তারেক রহমানের মতে, জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই সফল হতে পারে না।

মার্টিন লুথার কিং কে ছিলেন

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা। ১৯২৯ সালে আটলান্টায় জন্ম নেওয়া এই ধর্মযাজক কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ ভাষণটি মানবাধিকার আন্দোলনের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতিতে অনুপ্রাণিত এই নেতা ১৯৬৪ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন।

সংবাদটি শেয়ার করুন