বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আগমন ঘিরে বিমানবন্দরে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমানের বিমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টার গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে সকাল ১১টা ৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে আবার যাত্রা শুরু করে বিমানটি।
বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে লন্ডন থেকে ঢাকার পথে রওনা হয় ফ্লাইটটি। তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দলের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীও তাদের সঙ্গে দেশে আসেন।
১৭ বছর পর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয় একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি, যা সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে সেখানে পৌঁছায়। এই গাড়িতেই তিনি বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং যাতায়াত করবেন।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় সংক্ষিপ্ত অবস্থানের পর তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
৩০০ ফিট এলাকা থেকে সরাসরি তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। পরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন, সেখানেই দিনের শেষ কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।




