ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিমান বন্দরে পৌঁছেছে তারেক রহমানের গাড়ি

দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন। তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘বিজি ২০২’ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। তার আগমন ঘিরে বিমানবন্দর এলাকায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা প্রস্তুতি।

এরই মধ্যে তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। সকাল ৭টার কিছুক্ষণ আগে গাড়িটি সেখানে আনা হয়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে পরবর্তী কর্মসূচিতে যাতায়াতের জন্য এই গাড়িটিই ব্যবহার করা হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টার দিকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তারেক রহমান। যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত থেকে তাকে বিদায় জানান। আনুষ্ঠানিক চেক-ইন সম্পন্ন করে তিনি রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইটে ওঠেন। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

একই ফ্লাইটে বিএনপির প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীও বাংলাদেশে আসছেন। ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকায় পৌঁছাবে বলে জানা গেছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, ঢাকায় অবতরণের পর তারেক রহমান বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় কিছু সময় অবস্থান করবেন। এরপর কুড়িল হয়ে তিনি সড়কপথে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করার কথা রয়েছে।

পরবর্তী কর্মসূচিতে ৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তিনি সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে সময় কাটাবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। পাশাপাশি বিমানবন্দর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সোয়াট টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে রাজধানীর জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে জমায়েত হয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক। তীব্র শীত উপেক্ষা করে অনেকেই রাতভর সমাবেশস্থলে অবস্থান করেছেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এক্সপ্রেসওয়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে করে মানুষ ঢাকায় আসছেন, আর আশপাশের এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিচ্ছেন নেতাকর্মীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন