বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে প্রবেশ করেন। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।
যোগদানের সময় এহসানুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তারেক রহমানের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে জাতীয় দল থেকে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছি। আগামী দিনে আমাদের পূর্ণ চেষ্টা থাকবে বিএনপির শক্তি বৃদ্ধি করতে এবং ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করার।”
জানতে চাইলে তিনি দলের বিলুপ্তি নিয়ে কিছুটা হেসে বলেন, “হ্যাঁ, আমি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছি।” এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, শুধু তিনি নয়, তার দলের সকল নেতাকর্মীরাও বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বিএনপির শরিকদের মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে তীব্র দর কষাকষি চলছে। অনেক নেতা মনোনয়ন না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিএনপি জানিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে ঝুঁকি নিতে চায় না বিএনপি। আবার ধানের শীষের বাইরে জয় লাভ কঠিন। এই কারণে পূর্ববর্তী সমমনা দলগুলো তাদের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিচ্ছে। এর আগে এলডিপির একাংশের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমও একই পথে গিয়েছেন।
বিএনপি তাদের মিত্রদের কিছু আসনে ছাড় দিতে পারে, যার মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনও ছিল। এহসানুল হুদাকে সেখানে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছিল। তিনি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগও করেছেন। তবে বিএনপি পরে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে মুজিবুর রহমান ইকবালকে ঘোষণা করলে, এবার ধারণা করা হচ্ছে, ইকবালকে বাদ দিয়ে এই আসনে এহসানুল হুদাকে ধানের শীষ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।




