ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এনএসআইয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযোগের পরিধিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের পরিবার ও তাঁদের স্ত্রীর আর্থিক কর্মকাণ্ডও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর তদন্ত পরিচালনায় একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংস্থার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক যাচাইয়ের ভিত্তিতে তদন্তের পরিসর আরও বিস্তৃত হতে পারে।

প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ঘুষ ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ব্যাংক লেনদেন, সম্পদের বিবরণী ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথি পর্যালোচনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

দুদকের তথ্যমতে, ১৩ কর্মকর্তার মধ্যে তিনজন অতিরিক্ত পরিচালক, ছয়জন যুগ্ম পরিচালক এবং চারজন উপপরিচালক রয়েছেন। অভিযোগ ওঠার পর কয়েকজন কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের আর্থিক কার্যক্রমও নজরদারিতে আনা হয়েছে।

অভিযুক্ত তিন অতিরিক্ত পরিচালক হলেন মো. আজিজুর রহমান, মো. এম এস এক শাহীন ও মোহাম্মদ জহীর উদ্দিন। যুগ্ম পরিচালক পর্যায়ে রয়েছেন মো. ইসমাইল হোসেন, জি এম রাসেল রানা, এফ এম আকবর হোসেন, মো. নাজমুল হক, বদরুর আহমেদ ও শেখ শাফিনুল হক। উপপরিচালক হিসেবে অভিযুক্ত চারজন হলেন কামরুল হাসান, আমিনুল হক, শেখ খাইরুল বাসার ও জহরলাল জয়ধর।

দুদক জানিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রয়োজনে সম্পদের হিসাব তলব, ব্যাংক লেনদেন বিশ্লেষণ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের তথ্য যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন