ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদির মৃত্যুতে আজ পালিত হবে রাষ্ট্রীয় শোক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির সংগঠক শরিফ ওসমান হাদির প্রয়াণে আগামী শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সারাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এদিন সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেন। এরপর রাতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা, প্রতিবাদী তারুণ্যের প্রতীক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তার মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকার গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শনিবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এদিকে ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দেশের মসজিদগুলোতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও তার আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি আহত হন। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে আনা হয়। শনিবার বেলা দুইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন