মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের অভিযোগে ২৯টি জাহাজ এবং তাদের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। এই জাহাজগুলোকে ইরানের তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন অভিযোগ করেছে, এসব জাহাজের মাধ্যমে শত শত মিলিয়ন ডলার মূল্যের ইরানি তেল পরিবহন করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় একজন মিশরীয় ব্যবসায়ীও রয়েছেন, যিনি মালিকানাধীন বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ২৯টি ট্যাংকারের মধ্যে সাতটির যোগসূত্র রয়েছে। এছাড়া আরও কিছু শিপিং কোম্পানির বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব জাহাজ এবং প্রতিষ্ঠান সমুদ্রপথে ইরানের অপৃরিশোধিত তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত ছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সময় থেকে ইরানি তেল পরিবহনের অভিযোগে ১৮০টির বেশি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবু ট্যাংকার ট্র্যাকার্স ও অন্যান্য পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রধান ক্রেতা চীন ইরানি তেলের আমদানি আরও বাড়াচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।




