ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা

মাঠের লড়াই শুরু হতে এখনো কয়েকমাস বাকি থাকলেও ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে এর বিশাল প্রাইজমানি নিয়ে। কাতার বিশ্বকাপে প্রাইজমানির পরিমাণ ৪৪ কোটি ডলার হলেও আগামী আসরে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭,৯৯৯ কোটি টাকা)। মূলত অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করায় এই বাজেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।

চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের ভাগ: ২০২২ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। তবে ২০২৬ আসরে শিরোপাজয়ী দলের জন্য বরাদ্দ থাকছে ৫ কোটি ডলার (প্রায় ৬১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা)। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে চ্যাম্পিয়নরা ৮০ লাখ ডলার বেশি পাবে। একইভাবে রানার্সআপ দলের পুরষ্কার ৩ কোটি থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৩ কোটি টাকা)।

অংশগ্রহণ করলেই মিলবে শতকোটি টাকা: এবারের বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া ৪৮টি দলের প্রতিটিই বড় অংকের অর্থ নিশ্চিত করেছে। টুর্নামেন্টে পা রাখা মাত্রই প্রতিটি দল কমপক্ষে ১ কোটি ৫ লাখ ডলার (প্রায় ১২৮ কোটি টাকা) পাবে। এর মধ্যে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য ৯০ লাখ ডলার এবং প্রস্তুতিমূলক ব্যয় হিসেবে প্রতিটি দলকে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডলার করে প্রদান করা হবে। (উল্লেখ্য, মূল তথ্যে ভুলবশত ১৫ ডলার লেখা ছিল, যা প্রকৃত অর্থে ১৫ লাখ ডলার)।

রাউন্ডভিত্তিক পুরষ্কারের তালিকা: বিশ্বকাপের প্রতিটি ধাপে উত্তীর্ণ দলগুলোর জন্য আলাদা প্রাইজমানি নির্ধারণ করেছে ফিফা:

রাউন্ড অব ৩২: এই ধাপে ওঠা প্রতিটি দল পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার।

শেষ ১৬ (নকআউট): ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

কোয়ার্টার ফাইনাল: ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

চতুর্থ স্থান: ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

তৃতীয় স্থান: ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

বিশ্বকাপের প্রেক্ষাপট: আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে ফুটবলের এই মহোৎসব। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার মোট ১৬টি ভেন্যুতে আয়োজিত হবে ১০৪টি ম্যাচ। ইতোমধ্যে ৪২টি দেশ মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে, বাকি ৬টি দল প্লে-অফের মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। মাঠের লড়াই আর টাকার ঝনঝনানি সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি আসর হতে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন