গত শনিবার সিরিয়ার একটি অভিযানকালে সন্দেহভাজন আইএস হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হন, সাথে নিহত হন একজন বেসামরিক দোভাষী। ঘটনাস্থলে মার্কিন ও সিরীয় বাহিনীর একটি যৌথ বাহিনী ছিল। এই হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটিকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
হোয়াইট হাউজের বরাতে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় এখনো কার্যকর কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ নেই। দীর্ঘ চলা গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পাসপোর্ট ও নাগরিক নথি যাচাই ব্যবস্থা যথাযথভাবে কাজ করছে না। এই কারণগুলোর ভিত্তিতে মার্কিন প্রশাসন সিরিয়ার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে।
জুন মাসে ট্রাম্প ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন এবং আরও সাতটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। সেই নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে। এছাড়া আরও ১৫টি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা এবং প্রবেশ সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, যার মধ্যে নাইজেরিও রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। বড় শহরে ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন, যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানো এবং অন্যান্য কঠোর পদক্ষেপ তার প্রশাসন গ্রহণ করেছে।
সম্প্রতি ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্য গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ট্রাম্প আরও কঠোর অভিবাসন নীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। তদন্তকারীরা জানান, হামলাকারী একজন আফগান নাগরিক ছিলেন, যিনি পর্যাপ্ত যাচাই ছাড়া পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। ঘটনার পর ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, “সব তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।”




