জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জুলাই-আগস্টে কুষ্টিয়ায় সংঘটিত ৬টি হত্যা, উসকানি ও ষড়যন্ত্রসহ ৮টি অভিযোগের মামলায় তার বিচার কার্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের আবেদন করেছেন। এই আবেদন তিনি নিজের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সামনে করেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ট্রাইব্যুনালে ইনুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণকালে এই আবেদন করা হয়। বিচার কার্য পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য আইনজীবী।
ইনুর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের পঞ্চম দিনে কাশিমপুর কারাগার-২-এর সাবেক ডেপুটি জেলা প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন পঞ্চম নম্বর ও জব্দ তালিকার সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন। তিনি ইতোমধ্যে ১৫ নভেম্বরও ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদান করেছিলেন।
একই দিন মামলার চতুর্থ নম্বর সাক্ষী, সিআইডির ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের উপপরিদর্শক শাহেদ জোবায়ের লরেন্সও অবশিষ্ট জবানবন্দি প্রদান করেন। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ইনুর আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী তার জেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন সকালে পুলিশ হাসানুল হক ইনুকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে, এবং তার উপস্থিতিতেই সাক্ষীরা জবানবন্দি প্রদান করেন




