ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার চেতনায় শোষণমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক যাতে স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল উপভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে গণতন্ত্রকে আরও দৃঢ় ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ঐক্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলাও সময়ের দাবি।

সোমবার ‘মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত সাফল্যের স্মারক। বিজয়ের এ আনন্দঘন দিনে তিনি দেশে এবং প্রবাসে থাকা সকল বাংলাদেশিকে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, স্বাধীনতা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন, যার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ শোষণ, বঞ্চনা এবং সংগ্রামের ইতিহাস। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে আমরা পেয়েছি কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। বিজয়ের এ দিনে তিনি মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রমহারা মা-বোন, শহিদ পরিবারের সদস্য এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান রাখা সকল সংগ্রামী যোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য ছিল না; এর লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। বিগত পাঁচ দশকের পথচলায় জনগণের পূর্ণ রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক মুক্তি এখনো পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান নতুন আশা জাগিয়েছে—একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। এটাই হোক মহান বিজয় দিবসে আমাদের অঙ্গীকার।

সংবাদটি শেয়ার করুন