সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, এদেশে যারা ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে তাদেরও নিরাপদ থাকতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, আমরা যদি নিরাপদ না থাকি, এদেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকবে না।
সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাহফুজ আলম অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে পরিকল্পিতভাবে সংস্কৃতি অঙ্গন, বুদ্ধিজীবী মহল ও আইন অঙ্গনের একটি অংশকে দখলে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই গোষ্ঠীর একটি অংশ নিজেদের স্বার্থে দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, একদল নিজেদের বিবেক-বুদ্ধি বিক্রি করে দিয়েছে; আরেক দল সচেতনভাবে বাংলাদেশে থেকেই দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতায় যুক্ত রয়েছে।
এই শ্রেণির মানুষদের ‘ভিনদেশি এসেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মাহফুজ আলম বলেন, ওসমান হাদি এই বাহিনীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সম্পদ হলেও বিদেশি স্বার্থরক্ষাকারীরা তাকে হত্যার যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করেছে।
ওসমান হাদির ওপর গুলি চালানোর পর তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক জগতের অনেকেই নীরব থেকেছেন বলেও অভিযোগ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের এই সাবেক উপদেষ্টা। তার ভাষায়, “তাকে আক্রমণ করার সময় কেউ প্রতিবাদ করেনি, কোনো শব্দ করেনি—সবাই যেন আমাদের সঙ্গে এক ধরনের নাটক করছে।” তিনি এই নীরবতাকে সংগঠিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে উল্লেখ করেন।
৫ আগস্টের পর যখন মুজিববাদী আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের বাড়িঘর চোরমারের ক্ষমতা ছিল, তখন আমরা সংবরণ করেছিলাম। ক্ষমা করে যদি ভুল করে থাকি, আর ক্ষমা করব না।
যদি এদেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, মুক্তির লড়াই যাবে উল্লেখ করে মাহফুজ বলেন, খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। অত সুশীলতা করে লাভ নেই।




