১৭ বছর পর অবশেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। ২৫ ডিসেম্বর এই বিশেষ দিনটিকে ‘অবিস্মরণীয়’ করে রাখতে দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি চলছে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে এক পোস্টে এই খবর নিশ্চিত করা হয়। পোস্টে তারেক রহমানের ছবি সংযুক্ত করা হয় এবং লেখা হয়, ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনটিকে ‘অবিস্মরণীয়’ করে রাখতে চায় বিএনপি।
পোস্টে আরও জানানো হয়, ২৫ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমাগম আয়োজনের পরিকল্পনা করছে দল। তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনটি নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাংগঠনিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সব ধরনের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় বিএনপির সমন্বয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমান কারাগারে দীর্ঘ নির্যাতনের শিকার হন। ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি সব মামলা থেকে জামিন পান এবং ১১ সেপ্টেম্বর রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। এরপর ১৭ বছর ধরে সপরিবারে সেন্ট্রাল লন্ডনের এডমন্টনে অবস্থান করছেন।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। বিএনপির শীর্ষ নেতারা শিগগিরই তার দেশে ফেরার প্রত্যাশা প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত কোনো তারিখ জানা যাচ্ছিল না। অবশেষে গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান।
দলের মধ্যে এ খবরের প্রতিক্রিয়া উচ্ছ্বাসপূর্ণ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলের প্রিয় নেতাকে দেশে ফেরার জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলছেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় যেসব বাধা সৃষ্টি হয়েছিল, তা তার দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।




