জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পুলিশ সব রাজনৈতিক দলকে নিরাপত্তা প্রটোকল প্রদান করবে। রবিবার প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রটোকলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের বাসস্থান, কার্যালয়, চলাচল, জনসভা এবং সাইবার স্পেসে কিভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন তা সুস্পষ্টভাবে নির্দেশ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে হামলাকারী ও তার সহযোগীদের শনাক্ত করেছে।
তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজুদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করা হচ্ছে।
প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান সন্দেহভাজু যাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে সেজন্য তার ছবি ও তথ্য সব ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পাঠানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও র্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।
দেশীয় বিভিন্ন স্থানে সন্দেহভাজুর অবস্থান শনাক্ত করা হলেও বারবার স্থান পরিবর্তনের কারণে এখনো গ্রেফতার সম্ভব হয়নি। পুলিশ তার চলাচলের খতিয়ানও সংগ্রহ করেছে, যেখানে দেখা গেছে তিনি আইটি ব্যবসায়ী পরিচয়ে গত কয়েক বছরে একাধিক দেশ ভ্রমণ করেছেন; সর্বশেষ ২১ জুলাই সিঙ্গাপুরে গেছেন।
এছাড়া হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে এমন আরও কয়েকজন সন্দেহভাজুকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।




