ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাদির পাশে দাঁড়িয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলেন না হাসনাত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরে ঢামেক হাসপাতালে ছুটে যান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। হাসপাতালে হাদিকে দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মির্জা আব্বাস। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপি নেতা হাসনাত লেখেনআল্লাহ, আমার ভাইকে বাঁচাইয়া রাখো।”

এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই এবং মতের ভিন্নতা থাকলেও শক্তি বা ভয়ভীতির আশ্রয়কে সবাইকে একযোগে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। একইভাবে উদ্বেগ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানও। তিনি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে এ ধরনের বর্বরতা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, বেলা ২টা ২২ মিনিটে পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় ডিআর টাওয়ারের সামনে তিনটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা হাদির ওপর হামলা চালায়। একটি মোটরসাইকেল থেকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, গুলিবিদ্ধ হাদিকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে আনা হয়।

জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইস্রাফিল ফরায়েজী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময়ই হাদির ওপর হামলা হয়। দুপুরে জুমার নামাজের পর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়

উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন ওসমান হাদি। তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন, তাকে হত্যা, বাড়িতে আগুন দেওয়া এবং তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন