ঢাকা | রবিবার
১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষা ভবনের সামনে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান

রোববার (৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ৪০০ থেকে ৫০০ জন শিক্ষার্থীদের একটি দল শিক্ষা ভবনের সামনে বসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা কোনো এসি রুমে আলোচনায় বসবো না। সচিবালায়ও যাব না। আমাদের দাবি একটাই, তা হলো দ্রুত সময়ের ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ দ্রুত জারি করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) নীলক্ষেত মোড়ে জড়ো হয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন ‘উই ওয়ান্ট, উই ওয়ান্ট, অর্ডিন্যান্স, অর্ডিন্যান্স’, ‘সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালো’, ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’, ‘তালবাহানা বন্ধ করো, অধ্যাদেশ জারি করো’। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া আইন প্রকাশিত হলেও চূড়ান্ত অধ্যাদেশ এখনো জারি হয়নি, যা পরিচয় সংকট, অ্যাকাডেমিক অনিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে সমস্যা সৃষ্টি করছে।

দুপুরে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে থেকে শিক্ষা ভবনের দিকে মিছিল করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শিক্ষা ভবনের মূল ফটকে ব্যারিকেড স্থাপন করে নিরাপত্তা জোরদার করে। সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের অর্গানাইজিং উইং জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আইনটির ওপর মতামত নেওয়া হলেও তিন দফা বৈঠকের পরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছেন, অধ্যাদেশ না জারি হলে আগামী রবিবার শিক্ষা ভবন অভিমুখে পদযাত্রা ও টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

ঢাকা কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, বহুদিন ধরে সাত কলেজ নিয়ে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া ঝুলে রয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি, সেটি হলো অধ্যাদেশ। উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১২ নভেম্বর জানিয়েছিল, সাত কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন