নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান থেকে এসে গণকর্মচারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছেন।
তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। আজ পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গণকর্মচারী সংগঠনগুলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পে কমিশনের নামে কর্মচারীদের সঙ্গে তামাশা করা হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন হবে ৪ অনুপাত ১ এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন পে-স্কেল ঘোষণার আহ্বান জানান তিনি।
মহাসমাবেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব দেলাওয়ার হোসাইন আজিজীও উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পে-স্কেলের গেজেট জারি না হলে গণকর্মচারীরা স্থায়ী কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারেন।
এর আগে শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, পাঁচ বছর অন্তর পে-স্কেল দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও গত ১০ বছরে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পুনর্মূল্যায়ন হয়নি—এটি অমানবিক।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান বেতন কাঠামোতে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের পক্ষে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দ্রুত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।




