ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সীমান্তবর্তী এলাকাসহ সারাদেশে ৪৩০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, দেশের ২ হাজার ৮৫৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবির সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সীমান্তবর্তী এলাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির ২৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।”

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় এই উৎসব চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছে তারা।

বিজিবি বলছে, মোট ২ হাজার ৮৫৭টির মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৪১১টি মণ্ডপ। এর মধ্যে পার্বত্য এলাকায় রয়েছে ১৫টি পূজামণ্ডপ। আর সীমান্তবর্তী এলাকার বাইরে রয়েছে ১ হাজার ৪৪৬টি।

সীমান্ত এলাকার বাইরের পূজামণ্ডপ মধ্যে রাজধানী ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ৪৪১টি; চট্টগ্রাম মহানগরী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় মোট ৬৯৪টি এবং অন্যান্য স্থানে ৩১১টি পূজামণ্ডপ রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় পূজা উপলক্ষে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি শক্তিশালী করার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিশেষ টহল পরিচালনা করছে বিজিবি।

এদিকে দুর্গাপূজায় ‘বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার’ অংশ হিসেবে সারাদেশে ২৮১টি টহল দল মোতায়ন করার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

২১ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসবের প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

হিন্দু আচার অনুযায়ী, মহালয়া, বোধন আর সন্ধিপূজা- এই তিন পর্ব মিলে দুর্গোৎসব।

পঞ্জিকা অনুযায়ী এবার মহালয়ার সপ্তম দিন অর্থাৎ রোববার থেকে ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে পাঁচদিনের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

এরপর ২৯ সেপ্টেম্বর সপ্তমী, ৩০ সেপ্টেম্বর অষ্টমী, অক্টোবরের ১ তারিখ নবমী এবং ২ অক্টোবর দশমীর সন্ধ্যায় বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি হবে।

এবার দেবী দুর্গার আগমন হবে গজে অর্থাৎ হাতির পিঠে চড়ে। গজে আগমন বা গমন হলে বসুন্ধরা শস্য শ্যামলা হয়। দশমীতে দেবীর মর্ত্যলোক ছাড়বেন দোলায় চড়ে। আর দোলায় দেবীর গমনকে মহামারী বা মড়কের ইংগিত ধরা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন