গোপালগঞ্জ পৌরপার্কে আয়োজিত এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সেনা ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ৫ জনের মধ্যে ৪জনের মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফন ও সৎকার করা হয়। এরমধ্যে রমজান কাজী, ইমন তালুকদাকে মার্কাস মসজিদ কবরস্থান ও সোহেলকে টুঙ্গিপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
দিপ্ত নামে আরেকজনের মরদেহ পৌরশ্বসানে সৎকার করা হয় এবং রমজান মুন্সি নামে আরেকজন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তার মরদেহের ময়না তদন্ত ঢাকায় করা হয়।
ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহতদের দাফন ও সৎকার কাজ শেষ করার সংবাদটি বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নজরে পড়ে।
এরপর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশে অাজ সোমবার ২১জুলাই দুপুরের দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রন্টি পোদ্দারের উপস্থিতিতে মার্কাস মসজিদ কবরস্থান থেকে নিহত রমজান কাজী ও ইমন তালুকদারের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়, সোহেল সিকদার নামে অারো একজনের মরদেহ টুঙ্গিপাড়া থেকে উত্তোলন করা হবে বলে জানিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট।
গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ পৌরপার্কে আয়োজিত এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সেনা ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে ৪জন ও ঢাকা মেডিকেলে ১জনসহ মোট ৫জন নিহত হয়।




