এবারের ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতের জন্য ১ হাজার ৭২১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিলো। যা সংশোধিত বাজেটে ১ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা করা হয়। সে হিসেবে গত অর্থবছরের তুলনায় ২৭৪ কোটি টাকা বেশি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
বাজেটে স্টার্ট-আপ উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে টার্নওভার করহার দশমিক ৬০ শতাংশেরর পরিবর্তে ০.১ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য কেবল আয়কর রিটার্ন ছাড়া সব ধরনের রিপোর্টিং থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, ব্যয় সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং স্টার্ট-আপ কোম্পানির লোকসান ৯ বছর পর্যন্ত সমন্বয়ের বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যয় সংক্রান্ত বিধি-নিষেধও প্রত্যাহার করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
করোনাকালীন সময়ে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা থমকে গিয়েছিলো তখন একমাত্র নির্ভরশীল খাত হয়ে দাঁড়িয়েছিলো আইসিটি খাত। তখন এ খাতের গুরত্ব বাড়তে থাকে সর্ব মহলে। মহামারীর এ সময়ে আইসিটিতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলো খাত সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয় যে, সংশোধিত বাজেটে শেষপর্যন্ত এ বিভাগে কত বরাদ্দ রাখা হয়।




