ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সামনে রোবটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি বা ব্লকচেইনের মতো ডিজিটাল যন্ত্রের যুগে আমাদের পৌঁছাতেই হবে। প্রযুক্তির এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
এ সময় মন্ত্রী ডিজিটাল সংযুক্তি সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ সফল করতে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতিসহ (বিসিএস) সংশ্লিষ্ট ট্রেডবডি এবং অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
গতকাল বুধবার রাতে ঢাকায় বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে বিসিএস-এর প্রতিষ্ঠার ৩৫ বছর পূর্তি উদ্যাপন, নতুন ওয়েবসাইট উদ্বোধন ও স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।
দেশে কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার যন্ত্রটিকে সাধারণের নাগালে পৌঁছে দিয়ে দেশে ডিজিটাল বিপ্লবের যাত্রা শুরু করেন।
বিসিএস-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম কামালের অবদান স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, ১৯৮৭ সালে মাত্র ১১ জন সদস্য নিয়ে শুরু হওয়া এ সমিতি আজ একটি বিরাট মহিরুহে রূপান্তরিত হয়েছে।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, বিসিএস অন্য কোনো ট্রেডবডির মতো নয়, এ সংগঠনটি নিজেদের শ্রম ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে গর্ব করার জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। বেসিস, আইএসপিএবি, ই-কমার্সসহ ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতের ট্রেডবডিগুলোর জন্ম বিসিএস-এর হাত ধরেই হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রযুক্তিবান্ধব নীতির ফলে সংগঠনটি ডিজিটাল বাংলাদেশ অভিযাত্রায় ভূমিকা রাখতে যে পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে, তা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সামনের দিনগুলোতে এ সংগঠনটিকে আরও বড় ভূমিকা পালন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা পথ দেখায়, তাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। বিসিএস যদি প্রতিষ্ঠিত না হতো, তাহলে আমি আজকের জায়গায় আসতাম না। কম্পিউটার ও এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পরিচিত করতে মেলা থেকে শুরু করে সারা দেশে আমরা ক্যাম্পিং করেছি, কম্পিউটারের ব্যবহার হাতে-কলমে শিখিয়েছি।
আনন্দবাজার/টি এস পি
