ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩

২০২৩ সালে ঔষধের বাজার হবে তিনগুণ

ছবি : সংগৃহীত

ঔষধ শিল্প দেশের অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল উৎপাদন খাত। দক্ষ মানবসম্পদের অভাব, রফতানি বাজার সম্প্রসারণে প্রতিবন্ধকতা, কাঁচামালে আমদানি নির্ভরশীলতা ও ওষুধের মান পরীক্ষাকারী ল্যাবের অনুপস্থিতির মতো প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও অন্যতম হিসেবে ঔষধ শিল্পকে চিহ্নিত করেছে ইউএসএআইডি। বাংলাদেশের ব্যক্তি খাতের মূল্যায়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন এ সংস্থা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষে দেশে ঔষধ শিল্পের অভ্যন্তরীণ বাজার ছিলো ২৪৪ কোটি ডলার। ২০২৩ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৭৬০ কোটি ডলারে। ‘কম্প্রিহেনসিভ প্রাইভেট সেক্টর অ্যাসেসমেন্ট’ (সিপিএসএ) শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

খাতটিতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭২ হাজার জন, যার ৮০ শতাংশই বিপণন ও সরবরাহকেন্দ্রিক। এর বার্ষিক রফতানির পরিমাণ ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়, এ খাতটিতে নারীদের অংশগ্রহণ খুবই কম। এছাড়া দক্ষ মানবসম্পদের তীব্র অভাবও রয়েছে, যা খাতটির প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলোর অন্যতম। এছাড়া শিল্পে অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও কমপ্লায়েন্স ইস্যুতেও কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তবে তা সামান্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার বর্তমানে এ শিল্পের আমদানি নির্ভরশীলতা কমিয়ে রফতানি বাড়াতে কাজ করছে। ২০১৮-২১ সালের রফতানি নীতিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এপিআই খাতকে। ২০৩২ সালের মধ্যে তা ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে এ সময়ের মধ্যে পাঁচ লাখ লোকের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

 

 

আনন্দবাজার/ইউএসএস

Print Friendly, PDF & Email
আরও পড়ুনঃ  লাইটারেজ জাহাজের অবাধে সাগরপাড়ি

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-পেপার
প্রথম পাতা
খবর
অর্থ-বাণিজ্য
শেয়ার বাজার
মতামত
বিশ্ব বাণিজ্য
ক্যারিয়ার
খেলার মাঠ
প্রযুক্তি বাজার
শিল্পাঞ্চল
পণ্যবাজার
সারাদেশ
শেষ পাতা