আগস্ট ১৯, ২০২২

সামরিক মহড়া চালাবে ক্ষুব্ধ চীন

সামরিক মহড়া চালাবে ক্ষুব্ধ চীন
  • চীন-মাকিন উত্তেজনা

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে চীন ও আমেরিকা। মার্কিন সংসদ কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে এই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই সফর ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের ইতিমধ্যে তলানিতে পৌঁছানো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়িয়েছে। এ সফরের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে তাইপে পৌঁছান পেলোসি। এর ঠিক ১৬ মিনিট পর চীন সামরিক মহড়া শুরুর ঘোষণা দেয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাইওয়ানের চারপাশের জলসীমায় বড় পরিসরে সামরিক মহড়া চালানো হবে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া বিমান ও নৌ মহড়া চলবে তিন দিন।

সামরিক মহড়া চলাকালে ওই এলাকায় বিদেশি জাহাজ ও বিমান প্রবেশ না করাতে বলেছে বেইজিং। বিশ্ববাণিজ্যে তাইওয়ান ও এর আশপাশের জলসীমা গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। চীনের এমন পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’বলেছে তাইওয়ান।

এ ছাড়া পেলোসির সফরের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ান থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে চীন। তাইওয়ানের শতাধিক খাবারের ব্যবসার ওপর আরোপ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তাইওয়ানের স্বাধীনতাসংগ্রামে যুক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে বেইজিং। সেই সঙ্গে বেইজিংয়ে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকোলাস বার্নসকে তলব করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে হঠাৎ তাইওয়ান যান পেলোসি। কেননা, তাঁর সফরসূচিতে তাইপে ছিল না। যদিও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো আগে থেকেই পেলোসির তাইপে সফরের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিল। সফরকালে পেলোসি তাইপের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে ওঠেন। তাঁর সফরের বিরোধিতা করে হোটেলের বাইরে চীনপন্থী লোকজন বিক্ষোভ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  ৫০ মণের কালো মানিক ৪০ লাখ!

পেলোসির সফর ঘিরে তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলের জলসীমায় একটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরিসহ চারটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে চীন। আকাশে চক্কর দেয় চীনা যুদ্ধবিমান। সফর শেষে বুধবার তাইপে ছেড়েছেন পেলোসি। তার পরের গন্তব্য দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।

গত ২৫ বছরের মধ্যে তাইওয়ান সফর করা সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ মার্কিন রাজনীতিবিদ পেলোসি। তবে তার এ সফর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সমর্থন দেননি। তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড মনে করে বেইজিং। কিন্তু তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই দেখে দেশটির জনগণ। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে আসছে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

ই-পেপার
প্রথম পাতা
খবর
অর্থ-বাণিজ্য
শেয়ার বাজার
মতামত
বিশ্ব বাণিজ্য
ক্যারিয়ার
খেলার মাঠ
প্রযুক্তি বাজার
শিল্পাঞ্চল
পণ্যবাজার
সারাদেশ
শেষ পাতা