আগস্ট ১৯, ২০২২

মাঠে বাংলাদেশ ব্যাংকের টিম

মাঠে বাংলাদেশ ব্যাংকের টিম
  • সিলেটে ডলার নিয়ে ‘কারসাজি’

ডলারের খোলাবাজারে তৈরি হওয়া অস্থিরতার সুযোগে সিলেটের মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে কারসাজির অভিযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর প্রেক্ষিতে সিলেট নগরীর মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোতে গত বুধ ও গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ ও ৪ আগস্ট) তদারকিমূলক অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ টিম। এ অভিযানের রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে দাখিলের পর সত্যতা পেলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় প্রচুর ডলারের ব্যবহার শুরু হয়। এতে সিলেটহ সারা দেশে ডলারের খোলাবাজারে তৈরি হয় অস্থিরতা। জ্বালানি তেল, ভোগ্যপণ্য ও জাহাজ ভাড়া বেড়ে যাওয়াই এর অন্যতম কারণ। সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ রসদ জুগিয়েছে এ অস্থিরতায়। দেশীয় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো ডলারের দাম বাড়িয়ে এ সংকটকে আরও বাড়িয়ে দেন। এমন পরিস্থিতিতে ডলারের দাম নির্ধারণ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেয়া মূল্যকে গুরুত্ব না দিয়ে সিলেটের এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীরা চলছেন ইচ্ছেমতো। অনেকে বাড়িয়ে দিয়েছেন দাম। আবার অনেকে ‘ডলারের দাম সামনে আরও বাড়বে’ এমন গুজব সৃষ্টি করে ইচ্ছাকৃতভাবে ডলার মজুদ করছেন। এ অবস্থায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বুধবার থেকে সিলেটে তদারিকমূলক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের টিম।

এ বিষয়ে ব্যাংকের পরিচালক এ কে এম এহসান গতকাল বিকালে বলেন, বুধ ও বৃহস্পতিবার ডলারের বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত মূল্য ১০২ টাকা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে- সিলেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত মূল্যের বাইরে অনেকে বেশি মূল্যে ডলার বিক্রি করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিলেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের টিম দুদিন থেকে অভিযান পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, টিমের তদন্ত  রিপোর্ট আমরা এখনও হাতে পাইনি। রিপোর্ট পাওয়ার পর যদি নির্দিষ্ট কোনো মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তবে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  হাওরে বন্যা ব্যবস্থাপনা-জীবিকা নির্বাহ প্রকল্পের পরামর্শ সভা

এক প্রশ্নের জবাবে এ কে এম এহসান বলেন, আমাদের তথ্যমতে- সিলেটে ১৪টি লাইসেন্সধারী বৈধ মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান। এর বাইরে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান আছে কি-না, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই। এ বিষয়েও আমরা খোঁঁজ নিচ্ছি। থাকলে এগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

ই-পেপার
প্রথম পাতা
খবর
অর্থ-বাণিজ্য
শেয়ার বাজার
মতামত
বিশ্ব বাণিজ্য
ক্যারিয়ার
খেলার মাঠ
প্রযুক্তি বাজার
শিল্পাঞ্চল
পণ্যবাজার
সারাদেশ
শেষ পাতা