ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩

চার মাসে পাথর আমদানিতে রাজস্ব বেড়েছে ৩০ শতাংশ

এবছরের  প্রথম চার মাসে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে পাথর আমদানিতে রাজস্ব  বেড়েছে ৩০ শতাংশ। তুলনামূলক কম আমদানি খরচ ও সময়, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং যানজট না থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবহার করে পাথর আমদানি বৃদ্ধি করায় রাজস্ব আহরণ বেড়েছে  বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোমরা শুল্কস্টেশনের রাজস্ব শাখার  তথ্যমতে, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের চার মাসে পাথর আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৫৬ হাজার ১৫৪ টন। এর মধ্যে জুলাইয়ে ১ লাখ ২২ হাজার ১৫৬, আগস্টে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬১, সেপ্টেম্বরে ২ লাখ ৫ হাজার ২৫৮ ও অক্টোবরে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯ টন পাথর আমদানি হয়েছে; যা থেকে রাজস্ব আহরণ হয়েছে ৩৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৭ কোটি ৭৯ লাখ, আগস্টে ৮ কোটি ৪০ লাখ, সেপ্টেম্বরে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ও অক্টোবরে ১০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।এদিকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি করা হয় ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬২ টন; যা থেকে রাজস্ব আহরণ হয় ২৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা ৩০ শতাংশ বেশি রাজস্ব আহরণ হয়েছে।

ভোমরা স্থলবন্দরে পাথর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রামকৃঞ্চ চক্রবর্তী জানান, ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন নির্মাণকাজে ব্যবহূত পাথর প্রচুর পরিমাণে আমদানি করা হয়। ভারতের ঝাড়খণ্ড থেকে এ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি করলে সময় যেমন সাশ্রয় হয়, তেমনি পরিবহন খরচ কিছুটা কম লাগে। ফলে দেশের অনেক পাথর আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বে আট কোটি ছাড়িয়েছে করোনা সংক্রমণ

ভোমরা স্থলবন্দরে সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভোমরা স্থলবন্দরে অন্যান্য বন্দরের তুলনায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো। তাছাড়া যানজট নেই বললেই চলে। ফলে শুধু পাথর নয়, সব ধরনের পণ্য আমদানিতে সময় ও পরিবহন খরচ কম লাগে।

ভোমরা শুল্কস্টেশনের কাস্টমস বিভাগীয় সহকারী কমিশনার মো. রেজাউল করিম জানান, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে পাথর আমদানিতে রাজস্ব বেড়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হয়ে শুষ্ক মৌসুম এসেছে। এখন থেকে পাথরসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি আরো বাড়তে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-পেপার
প্রথম পাতা
খবর
অর্থ-বাণিজ্য
শেয়ার বাজার
মতামত
বিশ্ব বাণিজ্য
ক্যারিয়ার
খেলার মাঠ
প্রযুক্তি বাজার
শিল্পাঞ্চল
পণ্যবাজার
সারাদেশ
শেষ পাতা